ব্রেকিং নিউজ

খাদ্য অধিদপ্তরে ধান চাল কেনার ১ কোটি বস্তা গায়েব

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, ঢাকা: খাদ্য অধিদপ্তরে ধান চাল কেনার জন্য সংগৃহীত ১ কোটির চটের বস্তার হদিস মিলছে না। ধারনা করা হচ্ছে এসব বস্তা গায়েব হয়ে গেছে। খাদ্য অধিদপ্তরের ডিজি এত বস্তা কোথায় গেল তা খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট সংগ্রহ বিভাগকে।
জানা গেছে, খাদ্য অধিদপ্তরে প্রতি বছর কয়েক কোটি চটের বস্তা কেনা হয় ধান চাল সংগ্রহের জন্য। গত ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে ৪ কোটি ৭০টি বস্তা কিনেছে খাদ্য অধিদপ্তর। সারা বছরে সাড়ে চার লাখ টন ধান এবং ১০ লাখ টন চাল সংগ্রহ করা হয়। আর গম সংগ্রহ করা হয় ৫০ হাজার মে: টন। হিসেব করে দেখা যায়, প্রায় ১ কোটি বস্তা বাড়তি থেকে যায়। কিন্তু বাকি বস্তাগুলোর হিসেব নেই সংগ্রহ বিভাগের কাছে।
এদিকে সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা বেড়ে য্ওায়ায় ধান চাল কেনার জন্য ২০১৯-২০ অর্থ বছরে ৮ কোটি বস্তা সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নেয় খাদ্য অধিদপ্তর। এসব বস্তা বিজেএমসি ্ও বেসরকারি জুট মিলগুলো থেকে সংগ্রহ করার প্রক্রিয়া গ্রহণ করে অধিদপ্তর। কিন্তু আগের বছরের বাকি বস্তার হিসেব চেপে যায় সংশ্লিস্ট বিভাগ।

সম্প্রতি খাদ্য অধিদপ্তরে মহাপরিচালক সারোয়ার মাহমুদ পুরনো বস্তার হিসেব তলব করেন সংগ্রহ বিভাগের কাছে। এতে নড়েচড়ে বসেন কর্মকর্তারা। মহাপরিচালক পুরনো বস্তার হিসেব বের করে তা দিয়ে ধান চাল ্ও গম সংগ্রহ অভিযান চালানোর নির্দেশ দেন।
শুধু তাই নয়, নতুন ডিজি অধিদপ্তরের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নির্দেশনা দিয়েছেন সৎভাবে দায়িত্ব পালনের জন্য। তিনি বলেছেন, খাদ্য অধিদপ্তরে কোন তদ্বির চলবে না। র্কারও কোন অনিয়ম বা অপচয় বরদাস্ত করা হবে না। তবে সংগ্রহ বিভাগের পক্ষ থেকে বলা হয়, অনেক ক্ষেত্রে মিল মালিকরা পুরনো বস্তায় চাল সরবরাহ করে নতুন বস্তা নিয়ে যান। এখন এ আদেশের কারনে তা বন্ধ হবে।
উল্লেখ্য, সারোয়ার মাহমুদ দুদকের মহাপরিচালক হিসেবে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করে জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে খাদ্য অধিদপ্তরে ডিজি হিসেবে যোগদান করেছেন।

Print Friendly, PDF & Email