সোলেইমানি ছিল শীর্ষ সন্ত্রাসী : ট্রাম্প - Jamuna.News
ব্রেকিং নিউজ

সোলেইমানি ছিল শীর্ষ সন্ত্রাসী : ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইরানের অভিজাত কুদস ফোর্সের প্রধান কাসেম সোলেইমানিকে হত্যার পক্ষে যুক্তি দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, সোলেইমানি ছিল বিশ্বের এক নম্বর সন্ত্রাসী। এই ব্যক্তি অনেক মার্কিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত। খবর আল জাজিরা।

সোমবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, আমরা বিশ্বের শীর্ষ সন্ত্রাসী সোলেইমানিকে হত্যা করেছি। কারণ সে অনেক মার্কিনি এবং সাধারণ মানুষকে হত্যা করেছে। তাই তাকে হত্যা করতে হয়েছে।

ট্রাম্প আরও বলেন, একজন সন্ত্রাসীকে যখন ডেমোক্রেটরা রক্ষার চেষ্টা করে, তখন সেটা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য লজ্জা ও অপমানের।

গত ৩ জানুয়ারি, বাগদাদ আন্তর্জাতি বিমানবন্দরের কাছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে মার্কিন ড্রোন হামলায় মেজর জেনারেল কাসেম সোলেইমানি নিহত হন। তাকে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির পর সবচেয়ে ক্ষমতাধর মনে করা হতো। মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের প্রভাব বিস্তারের মূল কারিগর ইরানের অভিজাত কুদস ফোর্সের এই প্রধান।

পরবর্তীতে হত্যাকাণ্ডের বদলা নিতে ইরাকে অবস্থিত দু’টি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান। এতে পুরো মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। নতুন আরেকটি যুদ্ধের আশঙ্কায় ভীত হয়ে ওঠে মানুষ। কিন্তু ট্রাম্প সংবাদ সম্মেলন করে ইরানের সাথে যুদ্ধ না করার ঘোষণা দেয়ায় কিছুটা স্বস্তি ফেরে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার রেশ কাটতে না কাটতেই তেহরানে ইউক্রেনীয় একটি যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত হয়। এতে ১৭৬ জনের সকলেই মারা যায়। যার ৮২ জন ইরানি, ৫৬ জন কানাডিয়ান, ১১ জন ইউক্রেনীয়যান, ১০ জন সুইডিশ ও ৪ জন আফগান নাগরিক মারা যায়। প্রথমে ইরান জানায় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার কথা বলে। পরবর্তীতে স্বীকার করে যে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় এ ঘটনা ঘটে।

এদিকে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় ভুল তথ্য প্রদানের অভিযোগে ক্ষমতাসীনদের বিরুদ্ধে চতুর্থ দিনের মতো বিক্ষোভ করছে ইরানের জনসাধারণ। তারা ক্ষমতাসীনদের পদত্যাগসহ বিভিন্ন দাবি জানিয়ে স্লোগান দিচ্ছে তেহরানের রাস্তায়।

Print Friendly, PDF & Email