ব্রেকিং নিউজ

চট্টগ্রাম-৮ আসনে ভোটে বাধার অভিযোগ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চট্টগ্রাম : বাংলাদেশ জাসদের নেতা মইন উদ্দিন খান বাদলের মৃত্যুতে শূন্য হওয়া চট্টগ্রাম-৮ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে। এ আসনের চার লাখ ৭৪ হাজার ৪৮৫ জন ভোটার সংসদে তাদের নতুন জনপ্রতিনিধি বেছে নিতে থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ভোট দিতে পারবেন।

সোমবার সকাল ৯টায় চট্টগ্রাম নগরী ও উপজেলার ১৭০টি কেন্দ্রের এক হাজার ১৯৬টি ভোট কক্ষে একযোগে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। রিটার্নিং অফিসার চট্টগ্রামের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা হাসানুজ্জামান বলেন, সুষ্ঠু ভোটের সব প্রস্তুতিই তারা নিয়েছেন। ভোটাররা ভোট দিতে কেন্দ্রে আসবেন এবং সকলের অংশগ্রহণে একটি ‘প্রতিনিধিত্বমূলক নির্বাচন’ হবে।

এই আসনের সবগুলো কেন্দ্রেই ইলেকট্রনিক্স ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
জানা গেছে, বেলা বাড়ার সাথে সাথে  নগরীর চাঁন্দগাঁও এলাকার এনএমসি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে পুলিশ-বিএনপির সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া নগরীরর রাবেয়া বশর ইনস্টিটিউট ও আল হুমায়রা মহিলা মাদরাসায় বিএনপি প্রার্থীর এজেন্টদের ভোটকেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বিএনপি সমর্থকদের অভিযোগ, চাঁন্দগাঁও এলাকার এনএমসি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ধানের শীষের এক সমর্থককে পিটিয়ে ভোটকেন্দ্র থেকে বের করে দিয়েছে ছাত্রলীগের কর্মীরা। এরপর সেই সমর্থককে পুলিশ গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ধানের শীষের এক সমর্থককে পুলিশ গাড়িতে তুলে নিলে তাকে ছাড়িয়ে নিতে বিএনপি নেতাকর্মীরা পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এ সময় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে ধানের শীষের ওই সমর্থককে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলা, মহানগরীর চান্দগাঁও ও বায়েজিদের কিছু অংশ নিয়ে গঠিত চট্টগ্রাম-৮ আসনের ভোটারদের মধ্যে দুই লাখ ৪১ হাজার ১৯৮ জন পুরুষ এবং দুই লাখ ৩৩ হাজার ২৮৭ জন নারী। এর মধ্যে বোয়ালখালী উপজেলায় ভোটার সংখ্যা এক লাখ ৬৪ হাজার ১৩১, বাকি ভোটার চট্টগ্রাম মহানগরীর।

মোট ছয়জন প্রার্থী এ উপ নির্বাচনে অংশ নিলেও আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোছলেম উদ্দিন আহমদের নৌকা এবং বিএনপির প্রার্থী আবু সুফিয়ানের ধানের শীষের মধ্যেই মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে ধারণা করছেন সবাই।

বাকি চার প্রার্থী হলেন- বিএনএফের এস এম আবুল কালাম আজাদ (টেলিভিশন), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের সৈয়দ মোহাম্মদ ফরিদ আহমদ (চেয়ার), ন্যাপের বাপন দাশগুপ্ত (কুঁড়েঘর) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ এমদাদুল হক (আপেল)।

 

 

 

 

Print Friendly, PDF & Email