ব্রেকিং নিউজ

আজ পাবনা হানাদার মুক্ত দিবস

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, পাবনা : আজ ১৮ই ডিসেম্বর পাবনা হানাদার মুক্তদিবস। এই দিনকে ঘিরে মুক্তিযোদ্ধাদের বুকে সাহসের বাধ ভেঙ্গে যায়। তারা আনান্দে উদভাসিত হয়ে বিভিন্ন উপজেলা থেকে যুদ্ধরত অবস্থায় পাবনা হানাদার মুক্ত হয়েছে খবর পেয়ে মুক্তিযোদ্ধারা পাবনা শহরের টাউন হল মাঠে জড়ো হয়।

সে সময় বিশিষ্ট বীর খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম বকুলের নেতৃত্বে পাবনা জেলা স্কুল ময়দানে জয় বাংলা শ্লোগান দিয়ে লাল সবুজের পতাকা উত্তোলন করেন। এ সময় পাবনায় শতাধিক পাকহানাদার বাহিনী পাওয়ার হাউজে আটকে পরে।

তখন মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম বকুল হ্যান-মাইক দিয়ে পাকসেনাদের উদ্দ্যেশে তাদের অস্ত্র গোলাবারুধ জমা দেওয়ার কথা বলেন। উত্তরে পাকসেনারা বলেন যে তোমাদের কাছে আমরা আত্মসমাপন করবোনা। তোমরা আমাদের হত্যা করবে। সুতারাং তোমাদের সেনাবাহিনী ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নিয়ে আসো তাহলে আমরা আত্মসমাপন করবো। প্রায় দুই দিন অতিবাহিত হওয়ার পর জেনারেল নিয়াজির বেতার বার্তা পেয়ে তারা আত্মসমাপন করার প্রস্তুতি নেয়। পরে সেনাবাহিনীর ট্রাকে করে তার পাবনা ত্যাগ করেন। সেই দিন ছিলো ১৮ ই ডিসেম্বর বেলা ১২ টার সময় জয় বাংলা জয় পাবনা হানাদার মুক্ত দিবস শ্লোগানে ঘোষিত হয় পাবনা হানাদার মুক্ত দিবস।

স্বাধীনতার ৪৭ বছর পেরিয়ে গেলেও পাবনার ১১ শহীদ পরিবার রাষ্ট্রীয় সম্মাননা পায়নি। বিএনপি জামায়াত শিবিরের সময় অনেক রাজাকারও মুক্তিযোদ্ধা ভাতার আওতায় এসেছে বলে অভিযোগ করলেন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ আলী। মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ আলী বর্তমানে চায়ের দোকান দিয়ে অতিকষ্টে পরিবার নিয়ে দিনযাপন করছে। পাবনা সদর উপজেলা দোগাছী ইউনিয়নের ১১ শহীদ পরিবারের শহীদ প্রফেসার নাতি জনাব আলী ও অপর আরেকজন শহীদের ছেলে মোহাম্মদ আলী বলেন দেশের অনেক মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম মুক্তিযোদ্ধার সুবিধা পেয়েছ। কিন্তু আমাদের শহীদদের মধ্যে হোসনে মন্ডলের স্ত্রী পাশ্ববর্তী ইটভাটায় কাজ করছে এবং দিনমজুর। তাদের পরিবারকে দেখা কেউ নাই।

Print Friendly, PDF & Email